বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

তোর সান্নিধ্যে! - রকিবুল ইসলাম

 
রকিবুল ইসলাম


থাকি মম তোকে ঘিরে,
দিবা-নিশি পবন রুপে।
তুই থাকিস তোর মত,
ব্যথা দিয়ে যাস অবিরত।
যদি কভু হুঁশ ফিরে,
কোন কাল কোন ক্ষণে!
খুঁজে নিস তুই মোরে,
রইব শুধু তোর অপেক্ষাতে।
প্রহর গুণে বাঁচব ভূমে,
দাড়িয়ে সেই মেঠো পথে।
তুই সখি মনের হরষে,
নিবি ধুলি পায়ে মেখে।
এভাবেই ধামে তোর সান্নিধ্যে,
জীবনটা মোর যাবে কেঁটে।
রাখব তোরে চোখের কোণে,
নিভৃতে গাঁথা স্বপ্ন রবে।
নিশিথ রাতে ডাকব তোরে,
নীরবতায় মোড়ানো মৃদু রবে।
তবুও না এলে ফিরে, 
ভাসাব আশা নয়ন জলে।

বসন্তের আগমন - সুবর্ণা দাশ

সুবর্ণা দাশ

হাওয়ায় তনিমার চুল এলো মেলো করে দিল। আশিক বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে আছে তনিমার দিকে। কী অপূর্ব লাগছে তনিমাকে। আশিকের চোখে চোখ পড়তেই তনিমার কাছে গিয়ে হাত ধরে বলে আর অপেক্ষা করতে মন সায় দিচ্ছে না। এই বসন্ত বিকেলে তোমার আমার প্রাণ প্রিয় কখন আসবে? স্নেহের চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দেব তার কপোল। তনিমা হেসে বলে, আর তো কটা দিন। 

তনিমা-আশিক এর ঘরে আসবে নতুন সদস্য, তাদের রাজপুত্র আসবে আগেই জেনে গিয়েছিল বিজ্ঞানের সুব্যবস্থার কারণে। উদাস দুপুরে কোকিলের ডাকে যেন তনিমার মন দোলে উঠে অজানা আনন্দে। বসন্ত তো চলেই এলো, তবুও যেন তনিমা-আশিকের জীবনে আসলো না এখনো বসন্ত! শুভক্ষণ ঠিক করলো তনিমা-আশিক। সেই দিনই হবে তনিমা-আশিকের বসন্ত উৎসব। অবশেষে সেই দিন আসলো। বসন্তের এক সকালে কোকিলের ডাকে, পুষ্পরাজের শোভায়  শোভিত, মুখরিত চারদিক এই সময় ভুমিষ্ট হলো তনিমা-আশিকের বসন্ত। আগমন ঘটলো চিরচেনা পৃথিবীর মাঝে এক টুকরো বসন্ত। আনন্দের বন্যায় ভাসলো তনিমা-আশিক। এক ফোঁটা আনন্দ অশ্রু গড়িয়ে পড়লো তনিমার গাল বেয়ে। সযত্নে অশ্রু মুছে দিল আশিক। 

প্রকৃত বসন্তের আবেশে মোহিত হলো চারপাশ বসন্তের কান্নায়। লাল টকটকে আভায় ঠিকরে বেরুচ্ছে তনিমা-আশিকের বসন্ত উৎসব। কচি ঠোঁটে কাঁপা কাঁপা ওঁয়্যা ওঁয়্যা কান্না। এ যেন কান্না নয়, এক আর্তি আমি এসেছি তোমাদের কোলে, বসন্তের আবেশে, মুখরিত করতে বদনখানি তোমাদের। 

আশিক মনে মনে উপলব্ধি করে সত্যি সত্যি আজ আমার জীবনে বসন্তের আগমন ঘটলো। নতুন পরিবেশে, নতুন করে মিলন ঘটলো মহা লগ্নে হৃদয়ের বন্ধনের মহা প্রাপ্তির। এই প্রাপ্তির ব্যখ্যা নেই আশিকের কাছে। তনিমার হাত ধরে অঙ্গিকার করে প্রতিটি বসন্ত হবে আমাদের পুত্রকে নিয়ে।

কালবৈশাখী - সমর্পিতা রাহা





ঋতুর চাকা ঘুরতে থাকে 
   চৈতি এবার এলো,
 লাল পলাশে কোকিল ডেকে 
    জানান দিয়ে গেলো।
ফাল্গুন চৈত্র বসন্ত কাল
মিষ্টি কুজন শুনি,
 আম্র মুকুল ঝরে যাচ্ছে 
কষ্টে প্রমাদ গুনি।
ফাগুন  মাসে আবহাওয়া 
  মধুর মধুর লাগে,
চৈত্র এলে আতঙ্কিত 
কালবৈশাখী জাগে।
ঝড়ের দাপট প্রখর হলে 
 প্রচুর ক্ষতি করে,
গরীব মানুষ সর্বশ্রান্ত 
আটচালার ওই ঘরে।
পশু পাখি ভয়ে মরে
ঝড়ে অনেক কষ্ট,
খড়কুটোতে বাসা বানায় 
সব হয়ে যায় নষ্ট।

বলো ভালোবাসোতো আমায়! - সর্বানী দাস





তোমার নামে ভালোবাসা উচ্চারিত হয় কাঁপা কাঁপা ঠোঁটে,
আমার ভিতরের অপ্রকাশিত আকাশে তোমারই তো নামে বৃষ্টি নামে,
খুলে যায় হৃদয়ের পুরোনো দরজা-
নীরব আকুলতায় নগ্ন অব্যয়।
দৃষ্টির অন্তঃস্রোতে অসমাপ্ত ছবিকথা,
কিছু বাঁধভাঙা ফিসফিস ছুঁয়ে যায় ছায়া 
আমাকে তুমি ভালোবাসো শব্দের চুম্বনে।
নিজের ভিতরে নিজেই স্পর্শ করি তোমায় অদৃশ্য অধিকারে।
আমি চাই সত্যিকারের পিরিতি দিগন্ত ছুঁয়ে এসে,
সমস্ত যুক্তি তর্ক ভেঙে জন্ম নেবে একটা পূর্ণাঙ্গ কবিতা।
তুমি শুধু তাকিয়ে থাকো
 আর আমি ধীরে- ধীরে মিশে যাই সম্পর্কের স্বাধীনতায়।
তুমি শুষে নাও আমার নীরবতা...
ছায়া দাও আমার অস্থির আয়নায়,
সময় দ্রবিভূত হোক বাজুবন্ধে আবদ্ধে।
আমার অদৃশ্য সাহসের মানচিত্রে অকপটে আঁকি তোমায় ।
এই শরীরের মাংস আর অস্থিতে জমে থাকা বহ পুরানো অপমান 
তার ও আলাদা ভাষা আছে....
তুমি বজ্র, তুমি অগ্নি,
তুমি রাত জাগা চিলেকোঠা
তুমি ভয় পেও না,
একবার একজন মানুষ হও 
রক্ত মাংসের প্রেমিক 
বয়ে যাক চৈতির বৈরী বাতাস 
উত্তাল হোক অলোকানন্দা 
তুমি আমায় ভালোবাসো একটিবার 
চোখে চোখ রাখি 
এসো ধরি হাত 
একটিবার বাঁচি এসো দুজনে দুজনের জন্য,
বলো ভালোবাসোতো আমায়!

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

বিক্ষুব্ধ বর্ণ সাহিত্য পরিষদ ই-বুক সাইটের জন্য অনুমোদিত তালিকাভুক্ত লেখকদের নামের তালিকা



 সালাম মালিতা
তালিকাভুক্ত নং- ক/০১,
ঠিকানাঃ নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত


সর্বানী দাস
তালিকাভুক্ত নং- ক/০২ 
ঠিকানাঃ সোনারপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত



সমর্পিতা রাহা
তালিকাভুক্ত নং- ক/০
ঠিকানাঃ সোনারপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
 




ভাগ্য রজনী! - রকিবুল ইসলাম

 


ভাগ্য রজনী এলো ধরাতে,
সৃষ্টি কূলের তরে।
পাপী-তাপি মিলে সবে,
গগনে রবে চেয়ে।
আয়ু-বায়ু জীবন চারিতে,
তালিকা নবায়ন হবে।
হিসাব নিকাশের হালখাতা করে
পঙ্কিলতা যাবে ভুলে।
মুক্তি কামনায় রোনাজারির রবে,
রিক্ত হাত ভরাবে।
বেলার ডাকে ওঠরে জেগে,
সৃষ্টি কুল সবে।
কর্ম স্মরে অনুতাপে ভুগে,
নীরব কান্না করে।
জানিনা আজ কি'যে হবে,
ভাগ্য লিখনীর রাতে।
আলোর ছোঁয়ায় নশ্বর ভূমে,
আঁধার রবে দূরে।
মুক্তি চাই এসো সবে,
এমন বরকতের রাতে।

তোর সান্নিধ্যে! - রকিবুল ইসলাম

  রকিবুল ইসলাম থাকি মম তোকে ঘিরে, দিবা-নিশি পবন রুপে। তুই থাকিস তোর মত, ব্যথা দিয়ে যাস অবিরত। যদি কভু হুঁশ ফিরে, কোন কাল কোন ক্ষণে! খুঁজে নি...

জনপ্রিয় পোস্ট