মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

ভালোবাসাহীন হৃদয়ের দিনলিপি ( ১ম পর্ব) লেখক- আকাশ আহমেদ



(১ম পর্ব)
নীরব এক শুরুর গল্প...

মানুষের জীবন সবসময় শব্দে ভরা থাকে না। কিছু জীবন আছে, যেগুলো বাইরে থেকে স্বাভাবিক, সফল, এমনকি প্রশংসনীয়- কিন্তু ভেতরে ভেতরে নিঃশব্দে ভেঙে পড়ে। সেই ভাঙার শব্দ কেউ শোনে না, কারণ সেটা কেবল হৃদয়ের ভেতরেই প্রতিধ্বনিত হয়।

আকাশের জীবন ঠিক তেমনই।

ছোটবেলা থেকেই আকাশ ছিল অদ্ভুত রকমের শান্ত। পাড়ার ছেলেরা যখন হৈচৈ করত, ক্রিকেট খেলত, ঝগড়া করত, তখন আকাশ হয়তো কোনো এক কোণে বসে বইয়ের পাতা উল্টাত, অথবা আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকত। তার ভেতরে একটা আলাদা জগত ছিল- যেখানে শব্দ কম, ভাবনা বেশি।

তার মা প্রায়ই চিন্তিত হয়ে বলতেন,
“এই ছেলে এত চুপচাপ কেন? কারও সাথে মিশতে চায় না কেন?”
আকাশ কোনো উত্তর দিত না। সে নিজেও জানত না কেন সে এমন।

স্কুলজীবন তার কেটে গেল এক অদ্ভুত নির্লিপ্ততায়। সে ভালো ছাত্র ছিল, শিক্ষকরা তাকে পছন্দ করতেন, সহপাঠীরা তাকে সম্মান করত- কিন্তু কেউ তার খুব কাছের ছিল না। বন্ধুত্ব যেন তার জীবনে কখনো গভীরভাবে প্রবেশ করতে পারেনি।

আর প্রেম?

সেটা তো তার জীবনে কোনোদিন আসেইনি।
যখন তার বন্ধুরা প্রেমে পড়তে শুরু করল, চিঠি লিখল, লুকিয়ে দেখা করল- আকাশ দূর থেকে সব দেখেছে। কিন্তু তার মনে কখনো তেমন কোনো অনুভূতি জাগেনি।

না, সে পাথর ছিল না।
কিন্তু সে নিজের অনুভূতিগুলোকে কখনো গুরুত্ব দেয়নি।
হয়তো সে ভয় পেত।
হয়তো সে বুঝত না।
হয়তো সে নিজেকে সেই জায়গায় কল্পনাই করতে পারত না।

সময় পেরিয়ে গেল।
জীবনের বাস্তবতা সামনে এসে দাঁড়াল।

অনেকে চাকরি নিল, কেউ বিদেশে গেল, কেউ সংসার গড়ল।
আকাশ অন্য পথ বেছে নিল।
সে নিজের একটি ট্রেড ব্যবসা শুরু করল।

শুরুর সময়টা ছিল কঠিন। পুঁজি কম, অভিজ্ঞতা কম, মানুষের বিশ্বাস কম- সব মিলিয়ে তাকে প্রতিটা পদক্ষেপে লড়াই করতে হয়েছে। কিন্তু আকাশের একটা জিনিস ছিল- ধৈর্য।

সে চুপচাপ কাজ করে গেছে।
দিনের পর দিন, রাতের পর রাত- সে নিজের ব্যবসাকে দাঁড় করিয়েছে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পণ্য সংগ্রহ, আবার বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ- ধীরে ধীরে তার কাজের পরিধি বাড়তে লাগল।

মানুষ তাকে চিনতে শুরু করল।
তার ফোন ব্যস্ত থাকতে শুরু করল।
তার নামের সাথে “বিশ্বাসযোগ্য” শব্দটা জুড়ে গেল।
কিন্তু জীবনের এই সাফল্যের মাঝেও একটা জিনিস একই রয়ে গেল -
তার ব্যক্তিগত শূন্যতা।

আকাশের জীবনে কোনো প্রেম নেই।
কোনো সম্পর্ক নেই।
কোনো বিশেষ মানুষ নেই, যে তার জন্য অপেক্ষা করে।
দিন শেষে যখন সে বাড়ি ফেরে, তখন তার জন্য কেউ দরজা খুলে দেয় না।
কেউ বলে না- “আজ এত দেরি কেন?”
কেউ তার ক্লান্ত মুখ দেখে জিজ্ঞেস করে না- “তুমি ঠিক আছো তো?”
তার ঘরটা পরিপাটি, কিন্তু নির্জন।

একটা টেবিল, কিছু বই, একটা ল্যাম্প, আর একটা জানালা- যেখান দিয়ে সন্ধ্যার আলো ঢোকে। সেই আলোয় বসে আকাশ মাঝে মাঝে নিজের সাথে কথা বলে।

একদিন রাতে সে ডায়েরি খুলল।
অনেকদিন পর।
কলম হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল।

তারপর লিখল-
“আমি জানি না আমি কী হারিয়েছি। কিন্তু আমি অনুভব করি- আমার ভেতরে কিছু একটা নেই। এমন কিছু, যা অন্যদের আছে।”

সে থেমে গেল।

এই কথাটা লিখে সে নিজেই অবাক হলো।
কারণ সে প্রথমবার নিজের শূন্যতাকে স্বীকার করল।

পরদিন আবার তার ব্যস্ত জীবন শুরু হলো।
কিন্তু এবার তার ভেতরে একটা প্রশ্ন জন্ম নিয়েছে।

“আমি কি সত্যিই সম্পূর্ণ?”

এই প্রশ্নটা তাকে তাড়া করতে লাগল।
কাজের মাঝে, মানুষের সাথে কথা বলার মাঝে, একা থাকার সময়- সবসময় এই প্রশ্নটা তার মাথায় ঘুরতে থাকে।

সে উত্তর খুঁজতে চেষ্টা করে।
কিন্তু কোনো উত্তর পায় না।

একদিন সে সামাজিক কাজের জন্য একটি বস্তিতে গেল।
সে আগে থেকেই কিছু সামাজিক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিল। গরিবদের সাহায্য করা, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো- এই কাজগুলো সে করে।

সেদিন তারা খাবার বিতরণ করছিল।
মানুষের ভিড়, বাচ্চাদের হাসি, হাত বাড়িয়ে দেওয়া মানুষ- এইসবের মাঝে আকাশ নিজেকে ব্যস্ত রাখল।

হঠাৎ তার চোখে একটা দৃশ্য ধরা পড়ল।
একজন মা তার ছোট ছেলেটাকে কোলে বসিয়ে খাওয়াচ্ছে।
খাবার খুব সামান্য।

কিন্তু মায়ের চোখে যে মমতা, সেটা অমূল্য।
ছেলেটা হাসছে, মায়ের গলায় জড়িয়ে ধরছে।

আকাশ স্থির হয়ে গেল।
সে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্যটা দেখল।
তার বুকের ভেতর কেমন যেন একটা অচেনা অনুভূতি জাগল।
সে বুঝতে পারল না এটা কী।
কিন্তু সে জানল- সে এই অনুভূতিটা আগে কখনো পায়নি।

সেই রাতে সে আবার লিখল -
“আজ আমি ভালোবাসা দেখলাম। খুব কাছ থেকে। কিন্তু আমি সেটা অনুভব করতে পারলাম না। আমি শুধু দেখলাম। আমি একজন দর্শক- নিজের জীবনেরও, অন্যের জীবনেরও।”

তার হাত কাঁপছিল।
কিন্তু সে লিখে গেল।

দিনগুলো আবার চলতে লাগল।
কিন্তু এখন আকাশ বদলাতে শুরু করেছে।

সে মানুষের দিকে তাকায়।
তাদের হাসি, তাদের কথা, তাদের সম্পর্ক- সবকিছু সে খেয়াল করে।
সে বুঝতে শুরু করেছে- ভালোবাসা শুধু একটা অনুভূতি নয়, এটা একটা সংযোগ।
আর সেই সংযোগ তার জীবনে নেই।

একদিন রাতে বৃষ্টি হচ্ছিল।
আকাশ জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল।
বৃষ্টির শব্দ, ঠান্ডা বাতাস- সব মিলিয়ে একটা অদ্ভুত নীরবতা।
সে নিজের প্রতিচ্ছবির দিকে তাকাল।

নিজেকে দেখে তার মনে হলো- এই মানুষটাকে সে চেনে না।
সে ধীরে ধীরে বলল- 
“আমি কে?”
প্রশ্নটা বাতাসে মিলিয়ে গেল।
কোনো উত্তর এল না।

সে আবার ডায়েরি খুলল।

এইবার সে লিখল- 
“আমার জীবনে কোনো প্রেম নেই। কোনো স্মৃতি নেই, যেখানে কারও হাত ধরেছিলাম। কেউ আমাকে ভালোবেসে ডাকেনি, আমিও কাউকে ডাকি নি। আমি জানি না ভালোবাসা কেমন।”
“আমি শুধু জানি- আমি একা।”

সেই রাতটা ছিল তার জীবনের এক মোড়।
কারণ সেই রাতে সে প্রথমবার নিজের একাকীত্বকে পুরোপুরি অনুভব করল।

আকাশ এখনো একই মানুষ।
ব্যবসায়ী।
সামাজিকভাবে সক্রিয়।
মানুষের কাছে সম্মানিত।
কিন্তু তার ভেতরে এখন একটা যাত্রা শুরু হয়েছে-
নিজেকে খুঁজে পাওয়ার যাত্রা।


(লেখা চলমান থাকবে, ২য় পর্ব  খুব শীঘ্রই প্রকাশ পাবে...)

সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

"আধুনিক চাষীর হাহাকার" কলমে: মুন্নাফ সেখ

 মুন্নাফ সেখ



আমি চাষা, রোদে পোড়া, ধুলার মানুষ ভাই,
হাড়ভাঙা খাটুনি খাটি, পেটে ভাত নাই।
আগের দিনের কাঠের নাঙল, হারায় গেছে কই?
গরুর পাল্লা ছাইড়া এখন কলের পিছে সই।

অহন মাঠ চষে ঐ লোহার দানব ট্রাক্টর দিয়া,
ঘণ্টা গুনে টাকা দিই, বুকটা যায় রে ফাটা।
মেশিন দিয়া জল তুলি ভাই, মেশিন দিলে তেল,
পয়সা ছাড়া এই যুগে সব চাষবাসের খেল।

আকাশ থাইকা নামে না জল, মেশিনে সব কড়ি,
পকেটের টাকা শুষে নেয় ঐ জলের ঘড়ি।
ইউরিয়া আর বিষের দামে হাত দিও না বাপ,
চাষীর ঘাড়ের উপর যেন বিষাক্ত এক সাপ।

হাইব্রিড ঐ বিচের নামে কত টাকা যায়,
পুরান দিনের ধানের জাত আর দেখা না পায়।
নিজের হাতে কাম কাজ কি আর আগের মতো আছে?
সব জায়গায় টাকার গাছ, আমরা তার নিচে।

ধান কাটার সময় অহন লেবার পায় না কাজ,
আকাশ ছোঁয়া মজুরি তাদের, গায়ে লাগে না লাজ।
সবার পাওনা মিটাইতে মোর জানটা হয়ে শেষ,
ফসল যখন আসে ঘরে, কাঙ্গাল বেশেই বেশ।

ট্রাক্টরঅলার দেনা আছে, সারের দোকানেও বাকি,
নিজের কপাল পুইড়া কেবল নিজেরে দেই ফাঁকি।
সবাই যখন লাভ বুঝল, আমার পকেট ফাঁকা,
চাষীর চোখে জল ঝরে রে, ঘুরল না আর চাকা।

রক্ত পানি করা ধানে পেট ভরে না ভাই,
সব মিটাইয়া দিন শেষে মোর হাত খালি টাই।
চাষার ঘরে অভাব কেবল রাজত্বি যে করে,
সোনার ফসল ফলাইয়াও আমরা কেবল মরি রে।

বাঁচার লড়াই... কলমে- সুবর্ণা দাশ

 
সুবর্ণা দাশ


শুরু হলো তুমুল ঝড়, 
প্রকৃতির রুদ্র মুর্তি যেন, 
এক্ষুনি গ্রাস করে নেবে সব। 
প্রবল তান্ডব বাইরে! 
গাছপালা দুমড়ে মুচড়ে
ভেঙ্গে পড়ছে, 
পাখিরা হারালো তাদের
সুন্দর পরিপাটি থাকার ঘর খানা। 
ভিজে জবুথবু হয়ে-
জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করছে। 
একটি পাখির ছানা মাটিতে পড়ে
আপ্রাণ ডেকে যাচ্ছে। 
সেই ডাকে ছিল তীব্র
বাঁচার আকুতি! 
মা পাখিটি নিরুপায়, 
অনেক কষ্টে ডানা দিয়ে
আগলে রাখার বৃথা চেষ্টা। 
থরথর করে কাঁপছে 
বাবা পাখিটিও।
হঠাৎ ঝড়ে উড়িয়ে নিলো
তাদের সাধের ঘর খানা! 
ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছে
পাখি দুটি! 
যে গাছে তাদের ঘর ছিলো, 
মড়মড় করে ভেঙ্গে গেলো
সেই গাছটাও!
অচেনা সুর বেরলো পাখি দুটির
কন্ঠ হতে! 
হয়তো কাঁদছে, ওদের তো চোখের
জল দেখা যাচ্ছে না!
ওদের দুঃখ আছে, 
ওদেরও স্বপ্ন ভাঙ্গে, 
ওরাও লড়াই করে বাঁচে।

তোমার মোহে! - রকিবুল ইসলাম।

 
রকিবুল ইসলাম



এই পৃথিবীর বুকে, 
লক্ষ কোটি জনমানবের ভিড়ে!
কেউ একজন করে মনে আমারে!
কষ্ট পায় সে,আমার কষ্টে,,,,।
ঠিক আমার মত করে।
আবার খুশি হয় সেও,, 
আমারই হাসি মাখা মুখ দেখে।
মন বলে চোখ বন্ধ করে ভেবে দেখো,
কল্পনার জগতে খুঁজে পাবে তারে!!
খুঁজে চলেছি নিরন্তর,,,
এই নশ্বর ধরণীর অবিনশ্বর জীবাত্মা সমূহের ভীড়ে,,,,!
একজন তুমি যে আমারে অহর্নিশি কর মনে!
কষ্ট পাও আমার কষ্টে।
ফেটে পড় অট্টহাসিতে আমার খুশিতে।
তারে কোন কল্পলোকের আঁধার ভুবনে নয়,
খুঁজেছি স্বীয় সত্তার মাঝে।
পেয়েছি অবশেষে আমার অন্তর্মাঝের মানসপটের ক্যানভাসে।
এঁকেছি ছবি দিনমান ভরে মনের তুলিতে।
আলেয়ার আলো হয়ে এসে যে তুমি রাঙিয়ে দিয়েছ আমারে!
হয়েছ রঙিন,হয়েছ বিভোর!
স্বপ্নে দেখা সেই তুমিও,সেই রঙে।
হয়েছি বিভোর আমিও তোমার মোহে।

শরীর চর্চা... - সমর্পিতা রাহা

 
সমর্পিতা রাহা 


ফোকলা দাঁতে দাদামশায়
   চোষেন মাছের মুড়ো,
থু থু করেন চারিপাশে 
রাগেন বাবার খুড়ো।

খুড়ো বলে কি যে করো
নকল দাঁতে চোষো
সারাক্ষণ ই খাই খাই বাতিক
চুপটি করে বোসো।

বয়স হলে  ভীমরতি যে
   আমায় দেখে শেখো,
তোমার চেয়ে একটু ছোটো
ভালো আছি দেখো।

বাবার  খুড়ো শরীর চর্চা
প্রত্যহ দিন করে,
সর্বসময় আড্ডাবাজি 
চিন্তা নেই যে ঘরে।

দাদামশায় মাঠে ঘাটে 
   অধিক কষ্ট করে,
শেষ বয়সে বার্ধক্যতে
পক্ষাঘাতে লড়ে।

চলো বদলাই.... - সর্বানী দাস

সর্বানী দাস 



 চলো বদলাই রঙিন জামা ঠিক পেঁয়াজের মতো,
 আসবে যাবে খালা মামা দিয়ে যাবে ক্ষত।

পাড়ার মোড়ে হৈ হুল্লোড়ে বাজবে ডিজে জোরে,
 নাচবে নেতা মাখবে আবির শূন্য পকেট ওরে!

আমরা মানুষ বোকা ফানুস শিকার হয়েই রবো,
 রবিবারের  তরজা শুনে হুক্কহুয়া কবো। 

 মামা দেবে খালা দেবে, দেবে অনেক টাকা,
 তবু মোদের ভাঁড়ার শূন্য চলো বদলাই চাকা।

আসবে নিয়ম ভাঙবে নিয়ম লুট বাতাসা পাবো?
 মোটা ভাত আর মোটা কাপড়, কার গান বলো গাবো।

 সিংহাসনে বসবে রাজা অট্টালিকা গড়ে,
 আমরা আছি ঝান্ডাধারী ধর্মে লড়ার তরে।

 গুড় বাতাসা ছোলা মুড়ি পান্তাতে হাত চাটি,
 ভীষণ গরম চলো বদলাই বছর বছর ঘাঁটি।

 খাচ্ছে ওরা দিচ্ছি মোরা, জেনে শুনে বোকা,
 বিরিয়ানি আর ডিম আলুতে খাচ্ছি যে রোজ  ধোকা।  

 স্বাধীনতার স্লোগান তুলে অব্যক্ত সব কথা,
 বোধবিহীন বিবেকবোধে  কথার চড়ে ব্যথা।

 আমজনতা আমি তুমি আমটা খেতে চেয়ে,
 চলো বদলাই হক ছিনিয়ে জীবনের গান গেয়ে।

 এ তো কেবল কথার কথা মনের ভাষা মনে,
 যেমন ছিলাম থাকবো তেমন রাজা প্রজার সনে।

 পাঁচ বছরে নাম লিখিয়ে পড়বে যে জন জামা,
 শূন্য পথে হাঁটতে হবে নেই তো মোদের থামা।

ভালোবাসাহীন হৃদয়ের দিনলিপি ( ১ম পর্ব) লেখক- আকাশ আহমেদ

(১ম পর্ব) নীরব এক শুরুর গল্প... মানুষের জীবন সবসময় শব্দে ভরা থাকে না। কিছু জীবন আছে, যেগুলো বাইরে থেকে স্বাভাবিক, সফল, এমনকি প্রশংসনীয়- কিন্...

জনপ্রিয় পোস্ট