সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

ভোট... - উজ্জ্বল কান্তি দাশ



উজ্জ্বল কান্তি দাশ


এসে গেছে ভোট, 
হয়ে এক জোট, 
আমাদের কাজ করবি;

কেন্দ্র নিবি দখলে, 
ছাপ্পা মারবি সকলে, 
মাথা গুণে নোট পাবি;

থাকবি নেতার দাপটে, 
পুলিশ থাকবে পকেটে;
পারিস যদি দেখাতে দাদাগিরি;

তোলাবাজি করে যাবি, 
লুটে ফুটে সব খাবি;
আমাদের নেতা, যদি জেতে;

টাকা দিয়ে কিনবো মাথা
মাসে মাসে পাবে ভাতা, 
তোদের বানাবো মস্ত নেতার হাতা, 

নেতা কামাবে মালপানি,
তোরাও পাবি কাটমানি,
বান্ধবীও দু'চার যাবে জুটে;

দল যদি আসে ক্ষমতায়, 
কি করবে আর জনতায়? 
আটকানোর সাহস কি কারো আছে?

যে'ভাবে চলছে চলুক, 
জনগণ মরছে মরুক, 
আমাদের তাতে কী আর যায় আসে!  
ভোট এসে গেছে পাশে।

দুঃখাতুর সুখানুভূতি ! - রকিবুল ইসলাম

রকিবুল ইসলাম




যেদিন তুমি ছেড়ে দিয়েছিলে হাত আমার,
সেদিন ঐ নীল আকাশটা ঘন মেঘে ছেয়ে গিয়েছিল,জানোতো?
বেদনার নীল আর গগণের নীল একাত্ম হয়ে 
পরিণত হয়েছিল সেদিন মিশমিশে কালো রুপে।
আমার সূর্য্য-স্ন্যাত প্রখর দীপ্তিময় আলোকজ্জ্বল বসুন্ধরা 
ততক্ষণে ছেয়ে গেছে নিঃসীম,ঘোর আঁধারে।
হাতড়ে বেড়াতে শুরু করলাম একটা দিয়াশলাই,,,
আলোর পিদিম জ্বালবো বলে।
তোমার ধূসর হওয়া,ধুলো পড়া স্মৃতিটাকেও
হাতড়ালাম বেশ কিছুক্ষণ।
যদি আলো আসে!
তোমার আলো!
তুমি ছিলে যখন, এমন আঁধারেও কোন কিছু 
খুঁজে পেতে সমস্যা হয়নি আমার।
এখন নিরুপায় আমি কি করি বলোতো?
কিন্তু,যে আমি তোমার নেশায় চুর,
তোমার সান্নিধ্যে বুঁদ,
সেই আমি এখন বাঁচব কিভাবে? বলোতো তুমি!
ঘুমঘোরে তুমি প্রায়ঃশই চলে আস।
স্বপ্নের প্রথম প্রহরে তোমায় দেখি সেই প্রথম জীবনের শিশির 
শিক্ত স্নিগ্ধময় আবেশি ভঙ্গিতে,অপরুপা সাজে অপ্সরী রুপে।
এটাই আমার দু:খাতুর সুখানুভূতি!

রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

বদলে দাও পাল্টে দাও ... - উজ্জ্বল কান্তি দাশ

 
 উজ্জ্বল কান্তি দাশ


আঁধার চিরে বেরিয়ে এসো,নব প্রভাতের রবি, 
পূণ্য হোক মঙ্গল হোক, নতুন বছরে সবই, 
কলম তোমার শানিত কর, ওহে তরুণ কবি, 
বদলে দাও পাল্টে দাও,জীর্ণ রুগ্ন ছবি। 

বৈশাখে আজ আপনারে কর, ঝড়ের মতোই দূর্বার, 
যা কিছু অনিয়ম কুসংস্কার, ভেঙেচুরে কর একাকার, 
নতুন নতুন শব্দ চয়নে, কবিতায় তুলো ঝংকার, 
ধ্বংসের মাঝে বপন কর,সৃষ্টির জয় জয়কার। 

হাওয়ার তোড়ে জাগ্রত হোক, সকল অর্ধ-মরা, 
কালবৈশাখী তাণ্ডবে আজ,দূর হয়ে যাক জরা, 
জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হোক, আমাদের এই ধরা, 
নিশ্চিহ্ন হোক যাদেরই হয়েছে, পূর্ণ পাপের ঘড়া।

ধর্মান্ধতার আস্ফালনকে,করো নাকো আর ভয়, 
ভয়ের চোখে চোখ রেখে আজ, ভয়টাকে কর জয়, 
মিথ্যের কাছে নত হলে পড়ে, সত্যের হবে ক্ষয়, 
সবার প্রথমে মানুষ আমরা, এটাই হোক পরিচয়। 

ঘৃণা বিদ্বেষ হিংসা যত এক্ষুনি হোক শেষ, 
স্নেহ মমতার কোমল পরশে ঘুচাক মনের ক্লেশ, 
সবার প্রাণে ছড়িয়ে পড়ুক, ভালোবাসার রেশ, 
নববর্ষে নব শপথে গড়বো মোদের দেশ। 

নব আলোকে মুক্ত হবো বিভেদের জাল হতে, 
এ দেশ আমার এগিয়ে যাবে বহুত্ববাদ মতে, 
মিলনের গান গাইবো মোরা, জীবন চলার পথে, 
নতুন স্বদেশ দেখবো ঘুরে, সাম্যের পুষ্প রথে।

কবিতায় কবি... কলমে- সুবর্ণা দাশ

সুবর্ণা দাশ
 


কবিতায় বাঁচে কবির প্রাণ
কবি প্রেমিরা জানি, 
বিশ্ব সাজায় প্রেম বিরহে
প্রকৃতি হয় রানী। 

আপন ছন্দে কবিরা চলে
অপার স্নেহের তরী, 
মাঝির কন্ঠে গান দেয় কবি
সোনার দেশ গড়ি। 

নিত্য নতুন ছন্দের বাহার
কবি খাতায় সাজায়, 
স্বর্গ মত্য এক হয়ে যায়
প্রেমের অরুণ রাঙ্গায়। 

বসন্ত প্রকৃতি ধরায় পাতা
মর্মর সুরে বাজে, 
কচি সবুজ পাতা মেলে
গাছেরা সব সাজে। 

বাঁচায় ধরণী কবির কলমে
কবিতায় লেখে গুণী, 
গাছগাছালি থাকলে পরে
পাখির গান শুনি। 

মধুর স্বপ্নে ভাসায় তরণী
কবির আকুল প্রাণ, 
বিরহ বিধুর স্বপ্ন ভাঙ্গে
সুরে লয়ে তান। 

খাতার পাতা ভরায় অক্ষরে
বাঁচার আশায় কবি, 
নেশা জাগায় প্রাণে মনে

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

এ কেমন পরিচয় ? - লেখক: আকাশ আহমেদ

এ কেমন পরিচয় ?


জন্মের আগে আমার কোনো নাম ছিল না।
না কোনো ধর্ম, না কোনো জাত, না কোনো বিভাজন।
আমি ছিলাম শুধু এক নিঃশব্দ স্পন্দন- একটি প্রাণ, যে পৃথিবীতে আসার অপেক্ষায়।

মায়ের গর্ভে আমি কখনো শুনিনি -
“তুমি হিন্দু হবে”,
“তুমি মুসলিম হবে”,
“তুমি অন্য কিছু হবে।”

আমি শুধু শুনেছি -
একটা হৃদয়ের শব্দ- ধক ধক ধক…
যেখানে ভালোবাসা ছিল, কিন্তু কোনো বিভাজন ছিল না।

তারপর একদিন আমি জন্ম নিলাম।
আমার প্রথম কান্না পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে পড়লো-
কিন্তু সেই কান্না থামার আগেই
আমার কানে ভেসে এলো-

“নাম রাখো… আকাশ।”
আমি তখনও জানতাম না-
এই নামের সঙ্গে আমার জন্য আরেকটা অদৃশ্য শেকল অপেক্ষা করছে।

কিছুক্ষণ পরই কেউ বললো-
“এ আমাদের ধর্মের সন্তান।”

আমি বুঝলাম না।

কারণ তখনও আমি মানুষ হওয়াটাই ঠিকমতো বুঝে উঠিনি।

ছোটবেলায় আমি খুব সাধারণ ছিলাম-
হাসতাম, খেলতাম, দৌড়াতাম।
আমার বন্ধু ছিল অনেক-
তাদের মধ্যে ছিল অপু, রোহন, সুমন, আয়েশা, রিমি…

আমরা কেউ কাউকে জিজ্ঞেস করতাম না-
“তুই কোন ধর্মের?”

কারণ আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল-
“তুই আমার বন্ধু কিনা।”

একদিন বিকেলে আমরা সবাই মিলে খেলছিলাম।
হঠাৎ অপুর মা এসে তাকে টেনে নিয়ে গেলেন।
আমার দিকে তাকিয়ে কেমন একটা অদ্ভুত চোখে বললেন-

“ওদের সঙ্গে বেশি মিশিস না।”

আমি থমকে গেলাম।
“ওদের” মানে?
আমি কি আলাদা?

সেদিন প্রথমবার আমি নিজের ভেতরে একটা প্রশ্ন অনুভব করলাম-

আমি কি শুধু ‘আকাশ’?
না কি তার চেয়েও কিছু?

স্কুলে গিয়ে সেই প্রশ্ন আরও বড় হলো।
একদিন ক্লাসে শিক্ষক বললেন-
“তোমাদের ধর্ম অনুযায়ী আলাদা লাইনে দাঁড়াও।”

সবাই দাঁড়িয়ে গেলো-
কেউ ডানে, কেউ বামে।
আমি মাঝখানে দাঁড়িয়ে রইলাম।

শিক্ষক বললেন-
“আকাশ, তুমি ওদিকে যাও।”
আমি ধীরে ধীরে হাঁটলাম।
কিন্তু মনে হচ্ছিল-
আমি যেন নিজের থেকে দূরে চলে যাচ্ছি।

সেদিন বাড়ি ফিরে মাকে জিজ্ঞেস করলাম-
“মা, আমি কি শুধু মানুষ হতে পারি না?”
মা চুপ করে রইলেন।
তার চোখে আমি জল দেখলাম।
তিনি শুধু বললেন-
“সবাই পারে না, বাবা…”

বড় হতে হতে আমি বুঝতে শুরু করলাম-
এই পৃথিবী নাম আর ধর্মের মধ্যে মানুষকে ভাগ করে রাখে।

ইতিহাসের বই খুলে দেখি-
রক্তের দাগ।
ধর্মের নামে যুদ্ধ, হত্যা, দাঙ্গা…

আমি ভাবলাম-
যে ধর্ম মানুষকে ভালোবাসতে শেখায়,
সেই ধর্মের নামেই এত ঘৃণা কেন?

কলেজে উঠার পর আবার অপুর সঙ্গে দেখা।
অনেকদিন পর।
সে আমাকে দেখে হাসলো-
“কিরে আকাশ! ভুলে গেছিস নাকি?”
আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম।
সেই আলিঙ্গনে কোনো ধর্ম ছিল না-
ছিল শুধু হারানো বন্ধুত্ব।

আমরা আবার একসাথে সময় কাটাতে লাগলাম।
মনে হচ্ছিল-
সবকিছু আবার ঠিক হয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু পৃথিবী এত সহজে ঠিক হয় না।

এক সন্ধ্যায় শহরে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লো।
খবর এলো-
দাঙ্গা শুরু হয়েছে।
রাস্তা জ্বলছে, মানুষ দৌড়াচ্ছে, চিৎকার…
ভয় ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে।

হঠাৎ ফোন এলো-
“অপুদের বাড়িতে হামলা হয়েছে!”
আমার বুক কেঁপে উঠলো।
আমি সবকিছু ভুলে দৌড়ে গেলাম।

পৌঁছে দেখি-
বাড়ির দরজা ভাঙা, দেয়ালে আগুনের দাগ,
চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা স্মৃতি।

অপু কোণায় বসে আছে-
তার চোখে ভয়, ঠোঁট কাঁপছে।
আমি ধীরে ধীরে তার কাছে গেলাম।
সে আমাকে দেখে হঠাৎ জড়িয়ে ধরলো-
আর ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো।
“আকাশ… আমরা কি ভুল করেছি?”

আমি স্তব্ধ।

আমার গলা দিয়ে কোনো শব্দ বের হলো না।

সে আবার বললো-
“বন্ধু হওয়াটা কি অপরাধ?”

আমার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়লো।
আমি শুধু তাকে শক্ত করে ধরে রাখলাম।
সেই মুহূর্তে-

আমরা কেউ কোনো ধর্মের ছিলাম না।
আমরা শুধু দুটো মানুষ-
যারা ভেঙে পড়েছে।

সেই রাতটা আমি আকাশের দিকে তাকিয়ে কাটালাম।

তারারা ঝলমল করছিল।
চাঁদ নিঃশব্দে আলো ছড়াচ্ছিল।

আমি ভাবলাম-
এরা কি কখনো মানুষকে ভাগ করে?

না।

প্রকৃতি কাউকে আলাদা করে না।
শুধু মানুষই করে।

আমি লিখতে শুরু করলাম।
আমার ব্যথা, আমার প্রশ্ন, আমার প্রতিবাদ-
সব কাগজে ঢেলে দিলাম।

“আমি জন্মের আগে কিছুই জানতাম না,
তবু জন্মের পর আমাকে পরিচয়ের ভারে চাপা দেওয়া হলো।

আমি কি মানুষ হওয়ার অধিকার রাখি না?
আমি কি শুধু ভালোবাসতে পারি না-
কোনো শর্ত ছাড়াই?”

একদিন আমি মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম।
বললাম-

“আমার নাম আকাশ।
এই নামের আগে বা পরে কোনো ট্যাগ লাগাতে চাই না।

কারণ আমি বিশ্বাস করি-
মানুষ হওয়াটাই সবচেয়ে বড় পরিচয়।

যদি ধর্ম আমাকে মানুষ থেকে আলাদা করে,
তাহলে সেই ধর্মের মানে কী?”

পুরো হলঘর নীরব হয়ে গেলো।

কেউ কিছু বললো না-
কিন্তু অনেকের চোখে জল ছিল।

সেই জলই প্রমাণ-
মানুষ এখনও বেঁচে আছে।

আজও পৃথিবী পুরো বদলায়নি।
এখনও ধর্মের নামে বিভাজন হয়,
এখনও মানুষ মানুষকে আঘাত করে।

কিন্তু আমি বিশ্বাস হারাইনি।

কারণ আমি দেখেছি-
ধ্বংসের মাঝেও বন্ধুত্ব বেঁচে থাকে,
ভয়ের মাঝেও ভালোবাসা জন্ম নেয়।

আমি আজও সেই প্রশ্ন করি-
“আমি কি মানুষ পরিচয়ে বাঁচার অধিকার রাখি না?”

হয়তো একদিন-
কোনো শিশুকে জন্মের পর বলা হবে না-
“তুমি এই ধর্মের।”

বরং বলা হবে-
“তুমি মানুষ, এটাই তোমার পরিচয়।”
সেই দিন-

পৃথিবী সত্যিই সুন্দর হবে।

আর আমি…
সেই দিনের অপেক্ষায় আছি-
চোখ ভরা স্বপ্ন আর বুকভরা ব্যথা নিয়ে।

কারণ আমি আকাশ-
আমি সবার, আবার কারও না।

আমি শুধু একজন মানুষ হতে চাই…


— শেষ —



তুমি মিলিয়ে নিও... - উজ্জ্বল কান্তি দাশ

 
উজ্জ্বল কান্তি দাশ


কতবার আমি ঝরে পড়া
তারাকে দেখে, 
মনে মনে তোমাকেই চেয়েছি। 
যতবার কোন মন্দির মসজিদ, 
গীর্জা প্যাগোডা সামনে পড়েছে, 
ততবার এই হাত দুটি উঠেছে, 
তোমারই মঙ্গল প্রার্থনায়, 
তাই চেয়েছি শুধু, 
তুমি যা চাও। 
তোমার জন্য হৃদয় মাঝে
যে ব্যথা অনুভব করি, 
সেটি আমার একান্ত নিজস্ব, 
একান্ত আপন ব্যথা। 
যা আমি কাউকে বলবো না, 
কোনোদিনও বোঝাতে যাবো না কাউকে। 
জলাশয়ে ঢিল ছুঁড়লে যেমন, 
তা থেকে সৃষ্ট তরঙ্গ, 
সমস্ত জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়ে, 
ঠিক তেমনই তোমার মুখনিঃসৃত সব কথাই, 
আমার হৃদপিণ্ডে তরঙ্গের সৃষ্টি করে, 
আর তা ছড়িয়ে পড়ে, 
আমার সমস্ত শরীরে। 
আমার বুকে ধুকপুক করে না, 
সেখানে ধ্বনিত হয় একটি নাম, 
তোমার নাম। 
কখনো পরীক্ষা করতে চাইলে, 
এই বুকে কান পেতে দেখো শুনতে পাবে। 
আমার পৃথিবী জুড়ে, 
শুকনো পাতার মর্মর সুরের হাহাকার, 
সমুদ্রের ঢেউ আর গর্জন দেখে
মনে হয় সমুদ্র কত উৎফুল্ল! 
কেউ বোঝেনা তাকে 
তীরকে ছোঁয়ার তার কি ব্যাকুলতা! 
ঠিক তেমনই আমাকে দেখেও সবাই ভাবে, 
কতটা প্রাণবন্ত! 
এই সবকিছুর মাঝেও যে, 
কতটা বিষাদ আমাকে ঘিরে থাকে, আছে। 
এই আমি যে একটা জীবন্ত লাশ, 
কেউ জানে না, আমি জানাতেও চাইনা।
আমি ভালো কি মন্দ, 
সে বিতর্কে যেতে চাই না, 
শুধু এটুকু বলবো, 
যদি কাঁচের মতো আমাকে, 
টুকরো টুকরোও করে ভেঙ্গে দাও, 
দেখবে সেই ভাঙ্গা টুকরোগুলোর প্রতিটিতে, 
শুধু তুমিই আছো,তুমিই থাকবে, 
এখন তুমি বুঝবে না, 
যে দিন চিরতরে হারিয়ে যাবো, 
সেই দিন তোমার উপলব্ধি হবে, 
সেই দিন তুমি বুঝবে,
সেই দিন তুমি খুঁজবে,
আমি বলে গেলাম, 
তুমি মিলিয়ে নিও।

ভোট... - উজ্জ্বল কান্তি দাশ

উজ্জ্বল কান্তি দাশ এসে গেছে ভোট,  হয়ে এক জোট,  আমাদের কাজ করবি; কেন্দ্র নিবি দখলে,  ছাপ্পা মারবি সকলে,  মাথা গুণে নোট পাবি; থাকবি নেতার দাপ...

জনপ্রিয় পোস্ট